ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের লাকসামে নারীসহ দুইজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার পৃথক দুই দুর্ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। লাকসাম হাইওয়ে থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহতরা হলেন, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কাছিহাটা গ্রামের মৃত ননী মিয়ার ছেলে মো. মোস্তফা কামাল (৬০) এবং কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়নের খানাতুয়া গ্রামের তাসলিমা আক্তার (৪২)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের খিলাবাজারে সড়ক পার হওয়ার সময় হিমাচল পরিবহন নামে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসচাপায় তাসলিমা আক্তার নামে ওই নারী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
অপরদিকে, একই দিন ভোর ৭টার দিকে ওই সড়কের বিপুলাসার বাজারের অদূরে কাঁচি নামক স্থানে নীলাচল পরিবহন নামে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা বিকল একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে কমপক্ষে ১৬ জন বাসযাত্রী আহত হন। গুরুতর আহত যাত্রীদের স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে নাথেরপেটুয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
নাথেরপেটুয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. মোস্তফা কামালকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য লাকসাম এবং কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানোর হয়েছে। তাৎক্ষণিক আহতদের নাম, পরিচয় ও ঠিকানা জানা যায়নি।
ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাক পুলিশ উদ্ধার এবং জব্দ করেছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। দুর্ঘটনায় আহত ১৫ জনের মধ্যে গুরুতর ৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লাকসাম এবং কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া অপর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, ওই সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২ জনের মধ্যে বৃদ্ধ মো. মোস্তফা কামালের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া খিলা বাজারে নিহত ওই নারীর মরদেহ স্বজনরা তাৎক্ষণিক নিয়ে গেছেন। ফলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীর মরদেহ পায়নি।








